রোমাঞ্চকর জয় পেলো রশিদ খানের ড্রাগন্স!

জাভেদ আহমাদি ৫৫ ও হজরতউল্লাহ ৩৫ রান করেন। মিডল অর্ডাররা ভালো করতে না পারায় পরবর্তীতে বড় স্কোর করতে পারেনি রশিদ খানের দল। তিনে নামা শহীদউল্লাহ ২২ এবং শেষ দিকে জাভেদ খান ও মুসলিম মুসা ১২ করে রান করেন। বল হাতে নাইটসদের সেরা বোলার জহির খান। ৩১ রানে ৩ উইকেট নেন জহির। এছাড়া ২টি উইকেট নেন মোহাম্মদ নবী।

জবাবে ব্যাটিং করতে নেমে দারুণ জবাব দিচ্ছিল নাইটসরা। ওপেনার ভুসি সিবান্দা ২৪, ইহসানুল্লাহ ২০ রান করেন। মিডল অর্ডারে দলের স্কোর টেনে নেন সিকান্দার রাজা। শেষ ওভারে ২ রান নিতে গিয়ে ৪০ রান করা সিকান্দার আউট হলে নাইটসদের জয়ের সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায়। ১৯তম ওভারে জাভেদ খানের বলে আউট হন নাইটসদের অধিনায়ক মোহাম্মদ নবী।

১২ বলে ২ চার ও ২ ছক্কায় ২৭ রান করে দলকে জয়ের স্বপ্ন দেখাচ্ছিলেন নবী। কিন্তু তার আউটের পর শিরোপার স্বপ্ন ভেঙে যায় নাইটসদের। ড্রাগন্সের হয়ে বল হাতে ১টি করে উইকেট নেন জাভেদ খান, মুসলিম মুসা, রশিদ খান ও ওফাদার।

ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হন জাভেদ আহমাদি। সিরিজ সেরার পুরস্কার ওঠে করিম সাদিকের হাতে।

সফাগেজা টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট লিগের ফাইনালে রোমাঞ্চকর জয় পায় রশিদ খানের ড্রাগন্স। ম্যাচের শেষ ওভারে ড্রাগন্সকে হারাতে ১২ রান চাই নাইটসদের। টি-টোয়েন্টি যুগে এ রান কিছুই নয়। কিন্তু হাতে ৪ উইকেট রেখেও জয় পেল না নাইটসরা।

কাবুলে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে ৭ উইকেটে ১৫৭ রান তুলে ড্রাগন্স। জবাবে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৫৪ রান করে নাইটস।

প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে ড্রাগন্সকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন দুই ওপেনার জাভেদ আহমাদি ও হজরতউল্লাহ। উদ্বোধনী জুটিতে ৭২ রান করেন তারা। তবে শতরানের আগে দুজন সাজঘরে ফিরে গেলে চাপে পড়ে ড্রাগন্স।