Breaking News
Home / অন্যান্য / জাল টাকা পেলে বিচলিত না হয়ে যা করবেন

জাল টাকা পেলে বিচলিত না হয়ে যা করবেন

জাল টাকা পেলে – টাকা লেনদেন করার সময় অনেক সময় অজান্তেই হাতে জাল টাকা চলে আছে। এ নিয়ে অনেককেই বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। জালিয়াত চক্রের কুটকৌশলে জাল টাকা ছড়িয়ে দেয়। সেই জাল টাকা যদি কখনো আপনার হাতে এসে পড়ে তখন কী করতে হবে-তা নিয়েই আমাদের এবারের আয়োজন।

কারে কাছে জাল নোট পেলে সাথে সাথে পুলিশে দিন: কোনো ব্যক্তি যদি কারো কাছ থেকে জালনোট পান, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে তাকে পুলিশে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। জালনোটের ওপর বড় করে ‘জালনোট’ শব্দটি লিখতে হবে।

নোটের অপর পৃষ্ঠায় প্রদানকারীর নাম, স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা, তারিখসহ স্বাক্ষর এবং লিখিত স্বীকৃতিনামা নিতে হবে।

কিন্তু জালনোট প্রদানকারী যদি নিজেই প্রতারিত বলে মনে করেন অথবা ব্যক্তির অজান্তে জালনোট পকেটে চলে আসে, তাহলে ওই নোটটি নিজেকেই ধ্বংস করে ফেলতে হবে।

ব্যক্তি মনে করলে ওই জালনোটটি থানায় দিতে পারেন। তবে সে ক্ষেত্রে ব্যক্তির অজান্তে এই জালনোট তার কাছে এসেছে এর সপক্ষে যথেষ্ট প্রমাণ থাকতে হবে।

জালনোট প্রদানকারী হিসেবে কারো সন্দেহ হলে সেই নাম বলা যেতে পারে। তবে ওই সন্দেহভাজন ব্যক্তি যে তাকে ওই নোটটি দিয়েছেন তার সপক্ষে যথেষ্ট প্রমাণ থাকতে হবে।

এই আইনি প্রক্রিয়ায় গেলেও ব্যক্তি জালনোটের বদলে আসল অর্থ ফেরত পাবেন না। তাই অজান্তে কোনোভাবে একবার জালনোট কেউ পেলে এটাকে নিজের ক্ষতি মনে করে ধ্বংস করে দিতে হবে।

ব্যাংকে ও এটিএম বুথে জাল নোট পেলে করণীয়: ব্যাংকের কাউন্টার ও এটিএম বুথ থেকে জালনোট পেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে হবে। ব্যাংকের কর্মকর্তা ও এটিএম বুথের গার্ডকে সঙ্গে সঙ্গে অবহিত করতে হবে।

এর পর ব্যাংক অথবা এটিএম বুথে থাকা রেজিস্টার্ড বইতে নকল টাকা পাওয়ার সময় এবং নিজের বিষয় বিস্তারিত লিখতে হবে। এবার আলাদা একটি কাগজে কর্মকর্তা অথবা গার্ডকে দিয়ে সই নিয়েই আপনি এই কাউন্টার বা বুথে নকল টাকা পেয়েছেন তা নিশ্চিত করতে হবে।

এবার পার্শ্ববর্তী থানায় গিয়ে নকল টাকা কোথায় পাওয়া গেছে, সে বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দাখিল করতে হবে। এবার সেখান থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে গিয়ে তাদের নকল টাকা দেখিয়ে টাকায় জালনোট এই সিল লাগিয়ে আলাদা রসিদ বইতে লিখিয়ে নিতে হবে নকল টাকার বিষয়ে এবং কোথায় পেয়েছেন সেই বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে হবে।

আইন: বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, জালনোট প্রদানকারীকে হাতেনাতে ধরতে পারলে তাকে পুলিশে সোপর্দ করতে হবে। হাতেনাতে ধরতে না পারলে কিছুই করার নেই। কোনোভাবেই জালনোটের বিপরীতে বাংলাদেশ ব্যাংক বা কোনো ব্যাংকের কাছে আসল নোট দাবি করার সুযোগ নেই।

সতর্কতা: কারো কাছ থেকে নগদ টাকা নেওয়ার সময় অবশ্যই টাকা গুনে এবং আসল কিনা তা নিশ্চিত হয়ে নিতে হবে। জালনোট পাওয়ার পর ব্যাংক ও ব্যাংকারদের করণীয় সম্পর্কে ট্রেজারারি রুলসে উল্লেখ থাকলেও কোনো ব্যক্তি বা গ্রাহক জালনোট পেলে তার করণীয় সম্পর্কে ওই আইনে কিছু বলা নেই।

Check Also

যশোর রোডের গাছগুলোর পাশে দাঁড়ালেন ওমর সানী !!

যশোর শহরের দড়াটানা মোড় থেকে বেনাপোল পর্যন্ত রাস্তার দুপাশে রয়েছে দুই হাজারেরও বেশি গাছ। এরমধ্যে …