Home / অন্যান্য / কনে নাকি কেক ? 

কনে নাকি কেক ? 

টানা টানা চোখ, টিকালো নাক। গাঢ় লাল লিপস্টিকে মাখা ঠোঁট। পরনে বিয়ের পোশাক। মাথায় হিজাব। আরব দেশে যেমনটা দস্তুর। একেবারে বিয়ের জন্য তৈরি কনে। কিন্তু তাকে নাকি খাওয়ায় যায়! চমকালেন? আরে না না, চমকানোর মতো ঘটনা হলেও ভয় খাওয়ার কিছু নেই। এ আসলে কনে নয়, কেক।

হ্যাঁ, এরকমই এক কেক বানিয়ে গোটা বিশ্বে নজর কেড়েছেন ডেবি উইংহাম। বিয়ে নিয়ে গোটা দুনিয়াতেই এখন যেন নজরকাড়ার পালা চলছে। সেই সাদামাটা বিয়েবাড়ির দিন গিয়েছে। এখন প্রথম বিশ্ব

থেকে তৃতীয় বিশ্ব, পুরোটাই ঝুঁকছে ডেস্টিনেশন ওয়েডিং কিংবা প্রি-ওয়েডিং ফটোশুটের দিকে। বিয়ে আগে ছিল অনুষ্ঠান। কর্পোরেট হাওয়ায় এখন তা ‘ইভেন্ট’। সুতরাং কোন ইভেন্ট কত ভাল, কে কোথায় নজর কাড়ল, তার হিসেবও চলবে বইকি। ফলত ডিজাইনাররাও বিয়ে নিয়ে নতুন কিছু ভাবছেন। যেমন ভাবলেন লন্ডনের এই ডিজাইনার। আস্ত একটি কেক বানিয়ে ফেলেছেন তিনি। যা কনের সাজে সজ্জিত। দুবাইয়ের এক ওয়েডিং শো-এর জন্য তাঁর এই কীর্তি। ওয়েডিং কেকটির ওজন প্রায় ১২০ কেজি। লম্বায় প্রায় ৬ ফুট। সবথেকে বড় কথা, এই মানুষ সমান কেকটি তৈরি করতে তাঁর খরচ হয়েছে প্রায় ৬ কোটিরও বেশি টাকা। তবে বলা বাহুল্য, যত কড়ি ঢেলেছেন, তত মিষ্টিও হয়েছে। না এখনও সে কেক কেউ চেখে দেখেননি। তবে ডিজাইনার জানিয়েছেন মাথা থেকে পা পর্যন্ত এ কেকের পুরোটাই ভোজ্য। তবে মিষ্টতা অন্য জায়গায়। এরকম অভিনব কেক নজর কেড়েছে গোটা দুনিয়ার। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই মুহূর্তে ব্যাপকভাবে ঘোরাঘুরি করছে এ ছবি। প্রথম দেখায় সকলেই ধোঁকা খাচ্ছেন। আরব দেশের এক কনে ছাড়া অন্য কিছু ভাবতে পারছেন না কেউই। পরে বিবরণ পড়ে ধরতে পারছেন এ আসলে কনে কেক।

কেক নিয়ে রীতিমতো হইচই পড়েছে ডিজাইনারদের মধ্যে। মানুষের মডেল হিসেবে কেক তৈরি নতুন কিছু নয়। তবে আকারে-বহরে এ কেক সত্যিই আলাদা। আর আছে সূক্ষ্ম কাজ। যে দক্ষতায় কনে কেকের পোশাকের ডিজাইন করেছেন উইংহাম, তা তারিফ কুড়োচ্ছে বহু ডিজাইনারেরও। গহনা হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে মুক্তো ও ছোট ছোট মূল্যবান পাথর। ঠিক যেমনটা আসল কনের ক্ষেত্রে হয়। উইংহাম বলছেন শুধু কেকের এই অংশগুলিই খাওয়া যাবে না। বাকিটা ভোজ্য। কিন্তু কেইবা এমন সুন্দর কেকের বুকে ছুরি চালাতে চায়! বরং কনে কেকের পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তোলাই আনন্দের। সে ছবিতেই আপাতত ছেয়েছে নেটদুনিয়া।

Check Also

রক্ত দিয়ে অন্যের প্রাণ বাঁচিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা যুবকের!

রক্ত দিয়ে প্রাণ বাঁচাতে গিয়ে সুস্থ মানুষকেই সরাসরি মৃত্যুর নোটিস ধরিয়ে দিল হাসপাতাল। চিকিত্সকের নিদানে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *