Home / ধর্ম ও জীবন / রাত্রে ঘুম ভেঙ্গে গেলে এই যিকির করলে যা প্রার্থনা করবেন তাই কবুল হবে ইনশা আল্লাহ!

রাত্রে ঘুম ভেঙ্গে গেলে এই যিকির করলে যা প্রার্থনা করবেন তাই কবুল হবে ইনশা আল্লাহ!

«لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَريكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، سُبْحَانَ اللَّهِ، وَالْحَمْدُ للَّهِ، وَلاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ، وَاللَّهُ أَكبَرُ، وَلاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللَّهِ الْعَلِيِّ الْعَظِيمِ» «رَبِّ اغْفرْ لِي».

(লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ্‌দাহূ লা- শারীকালাহূ, লাহুল মুলকু, ও য়ালাহুল হামদু, ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শায়ইন ক্বাদীর। সুবহা-নাল্লাহি, ওয়ালহামদু লিল্লাহি, ওয়া লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু, ওয়াল্লা-হু আকবার, ওয়া লা- হাওলা ওয়ালা- কুওয়াতা ইল্লা- বিল্লা-হিল ‘আলিয়্যিল ‘আযীম, রাব্বিগফির লী)।

অর্থ- “একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই; রাজত্ব তাঁরই, প্রশংসাও তাঁরই; আর তিনি সকল কিছুর ওপর ক্ষমতাবান। আল্লাহ পবিত্র-মহান। সকল হামদ-প্রশংসা আল্লাহ্‌র। আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই। আল্লাহ সবচেয়ে বড়। সুউচ্চ সুমহান আল্লাহর সাহায্য ছাড়া (পাপ কাজ থেকে দূরে থাকার) কোনো উপায় এবং (সৎকাজ করার) কোনো শক্তি কারো নেই। হে রব্ব ! আমাকে ক্ষমা করুন”।

উবাদা ইবনু সামিত (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছে‘ন, “যদি কারো রাত্রে ঘুম ভেঙ্গে যায় অতঃপর সে উপরের যিকিরের বাক্যগুলো পাঠ করে এবং এরপর সে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চায় অথবা কোনো প্রকার দু‘আ করে বা কিছু চায় তবে তার দু‘আ কবুল করা হবে। আর যদি সে এরপর উঠে ওযু করে (তাহাজ্জুদের) সালাত আদায় করে তাহলে তার সালাত কবুল করা হবে।”
{সহীহ বুখারী, ১/৩৮৭, নং ১১০৩।}

—————————–
ইসলাম ধর্মে বিয়েকে ফরয করা হয়েছে। তাই প্রতিটি মুসলমানই বিয়ে করে থাকেন। তবে বিয়ের ব্যাপারে ইসলামে কড়া নির্দেশনা দেয়া আছে। সেখানে স্পষ্ট বলা আছে কোন ধরণে নারীকে বিয়ে করতে হবে এবং কোন ধরণের নারীদের বিয়ে করা যাবে না।

ইসলামে তিন শ্রেনীর নারীদেরকে বিয়ে করতে মানা রয়েছে। যদি কেউ তা অমান্য করে তাহলে তাদের সংসারে আল্লাহ তায়ালা গজব নেমে আসবে। যথাঃ

১) রক্ত সম্পর্কের কারনে হারাম, এই সম্পর্কের ৭ জন রয়েছে। (মা, কন্যা, বোন, ভাতিজী, ভাগিনী, খালা এবং ফুফু)।

২) দুগ্ধ সম্পর্ক বা দূধ পান করার কারনে হারাম, এই সম্পর্কেরও ৭ জন রয়েছে। (দূধ মা, দূধ

কন্যা, দূধ বোন, দূধ ভাতিজী, দূধ ভাগিনী, দূধ খালা এবং দূধ ফুফু)।

৩) বৈবাহিক সম্পর্কের কারনে হারাম: সৎ মা, পুত্র বধু বা পৌত্র বধু (নাতির বউ), শ্বাশুড়ী, দাদি শ্বাশুড়ী বা নানী শ্বাশুড়ী এবং স্ত্রীর অন্য পক্ষের কন্যাসমূহ।

অনুরুপভাবে, স্ত্রী ও তার বোন, স্ত্রী ও তার ফুফু, স্ত্রী ও তার খালাকে একত্রে বিবাহ করে একত্রে স্ত্রী হিসাবে রাখা হারাম।

মহান আল্লাহ বলেছেন, “যে নারীকে তোমাদের পিতা-পিতামহ বিবাহ করেছে তোমরা তাদের বিবাহ করো না।

কিন্তু যা বিগত হয়ে গেছে। এটা অশ্লীল, গযবের কাজ এবং নিকৃষ্ট আচরণ। তোমাদের জন্যে হারাম করা হয়েছে তোমাদের মাতা, তোমাদের কন্যা, তোমাদের বোন, তোমাদের ফুফু, তোমাদের খালা, ভ্রাতৃকণ্যা; ভগিনীকণ্যা তোমাদের সে মাতা, যারা তোমাদেরকে স্তন্যপান করিয়েছে, তোমাদের দুধ-বোন, তোমাদের স্ত্রীদের মাতা, তোমরা যাদের সাথে সহবাস করেছ সে স্ত্রীদের কন্যা যারা তোমাদের লালন-পালনে আছে। যদি তাদের সাথে সহবাস না করে থাক, তবে এ বিবাহে তোমাদের কোন গোনাহ নেই।

তোমাদের ঔরসজাত পুত্রদের স্ত্রী এবং দুই বোনকে একত্রে বিবাহ করা; কিন্তু যা অতীত হয়ে গেছে। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাকরী, দয়ালু।” (সূরা নিসাঃ আয়াতঃ ৪:২২-২৩ এবং ইমাম বুখারী সংগৃহিত হাদিসঃ ২৬৪৫, ৫১০৯)।

সম্প্রতি মিয়ানমার সেনা ও বিজিপির নির্যাতনের শিকার রোহিঙ্গারা নিজ জন্মভূমি ছেড়ে বাংলাদেশে পালিয়ে এসে আশ্রয় নেয় উখিয়ার বিভিন্ন স্থানে। তাবু করে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আশ্রয় নিলেও চরম অভাব অনটন, মানবিক বিপর্যয় দেখা দেয় রোহিঙ্গা ঝুপড়িতে।

বুধবার (২০ সেপ্টম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় উখিয়ার বালুখালী তেলিপাড়া খালে একটি লাশ ভাসতে দেখে খালের পাড়ে তাবু করে বসবাসরত রোহিঙ্গা মিয়ানমারের মংডু সিকদারপাড়া বাসিন্দা আব্দু ছত্তারের ছেলে নুর মোহাম্মদ (৫০)। সে বলেন, ওই অজ্ঞাত লাশটির বয়স আনুমানিক পয়ষট্টির কাছাকাছি। পাহাড়ী ঢলের পানিতে আমরা লাশটি ভেসে যেতে দেখে বাঁশ দিয়ে ধরে খালের পাড়ে নিয়ে আসি। পরে কাফনের কাপড় জোগাড় করতে না পারার ভয়ে লাশটি পুনরায় পানিতে ভাসিয়ে দিই।

একই কথা শত শত প্রত্যক্ষদর্শী রোহিঙ্গার। তবে লাশটির কোন পরিচয় বা অভিভাবকের কোন খোঁজে পাওয়া যায়নি। গত ৩ দিনের বৃষ্টির পানি ও পাহাড়ি ঢলে উখিয়ার কুতুপালং, বালুখালী, কাস্টমস, থাইংখালী ঢালারমূখ, থাইংখালী তাজনিমারখোলা, হাকিমপাড়া, বাঘঘোনা এবং পালংখালীর শফিউল্লাহ কাটায় অন্তত ১০হাজার রোহিঙ্গার তাবু পানিতে তলিয়ে গেছে।

এতে অর্ধলক্ষাধিক রোহিঙ্গা ঘরবাড়ী ছেড়ে খোলা আকাশের নিচে বন, জঙ্গল, পাহাড়ে অবস্থান নিয়েছে। এসব পরিবার গুলোতে দেখা দিয়েছে খাদ্য, ঔষুধ, পানি এবং বাসস্থান সংকট। যার ফলে মানবিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়ে পড়েছে রোহিঙ্গারা।

উল্লেখ্য, গত ২৪ আগস্ট মিয়ানমারে সহিংসতায় এই পর্যন্ত ১২ জন মায়ানমার দেশের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও ৩ হাজারের অধিক রোহিঙ্গা নারী, পুরুষ, শিশু মারা গেছে। জাতিসংঘের রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে ৪ লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গা। তবে এই সংখ্যা মানতে নারাজ স্থানীয় উখিয়াবাসী। তাদের তথ্য মতে, এই পর্যন্ত উখিয়ায় প্রায় ৫ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে।

হাতের তালুতে রোজ পেঁয়াজ ঘোষুন! দেখুন তারপর কী হয়?
এই লেখাটি একবার পড়ে নিলে দেখবেন আর পকেট হলকা হবে না। কীভাবে? এখন নিশ্চয় হলকা-ভারি যে কোনও রোগেই ডাক্তারের চেম্বারে গিয়ে লাইল লাগান। কম করে ৫০০ খানিক টাকার প্রসাদ কিনে বাড়ি ফিরে তবেই রোগ থেকে মুক্তি মিলে। কি তাই তো? এবার থেকে আর ৫০০ টাকা খরচ করতে হবে না। বাড়ি বসেই একাধিক রোগের খেল খতম হয়ে যাবে। তবে তার জন্য ফ্রিজে বেশ কয়েকটি পিঁয়াজ থাকা জরুরি।

পিঁয়াজ! একেবারেই। জানেন কি এই সবজিটির শরীরে এমন কিছু উপাদান আছে, যা শরীরে সংস্পর্শে এলে রোগের জ্বালা কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে আরও বেশ কিছু উপকার পাওয়া যায়। তবে এক্ষেত্রে পেঁয়াজ খেতে হবে না। বরং হাতের তালুতে ঘষতে হবে। একেবারেই ঠিক শুনেছেন! একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে পিঁয়াজে উপস্থিত কিউয়ারসেটিন নামক একটি উপাদান হাতের মাধ্য়মে শরীরে প্রবেশ করলে বেশ কিছু রোগ নিমেষে সেরে যায়। যেমন ধরুন…

১. পুড়ে গলে বাঁচায়:

রান্না করতে করতে হাত পুড়িয়ে ফেলেছেন? কোনও চিন্তা নেই একটু পিঁয়াজ কেটে ক্ষতস্থানে কিছুক্ষণ ঘষে ফেলুন তো। দেখবেন জ্বালা-যন্ত্রণা কমে গেছে। আসলে পিঁয়াজে উপস্থিত বেশ কিছু উপাদানে অ্যান্টিসেপটিক প্রপাটিজ রয়েছে, যা এই সব ক্ষেত্রে দারুন কাজে আসে। প্রসঙ্গত, পোড়া দাগ মেটাতেও পিঁয়াজের কোনও বিকল্প নেই। এক্ষেত্রে টানা কয়েক সপ্তাহ ক্ষতস্থানে পেঁয়াজ ঘষলেই দেখবেন কেল্লাফতে!

২. চুলকানির দফারফা হয়:
মশা কামড়াক কি মৌমাছি, নো পরোয়া! কারণ হাতের কাছে পিঁয়াজ আছে না! আর কি চাই। এবার থেকে হাত-পা চুলকালেই একটু পিঁয়াজ ঘষে দেবেন। তাহলেই দেখবেন কষ্ট কমে গেছে। আসলে পেঁয়াজ তার শরীরে র

৩. কানের যন্ত্রণা কমায়:
ঘড়ি ধরে মাত্র ১৫ মিনিট কয়েক টুকরো পেঁয়াজ পুড়িয়ে নিন প্রথমে। তারপর সেই ভাজা পেঁয়াজ থেকে ধীরে ধীরে রসটা সংগ্রহ করে নিন। সেই রস এক ড্রপ কানে ফেলে দিনে। অল্প সময়ের মধ্যেই দেখবেন ব্যথা ছুট লাগিয়েছে।

৪. নাকের পথ পরিষ্কার করে:
বর্ষাকালে সর্দি-কাশি তো লেগেই থাকে। সেই সঙ্গে নাক দিয়ে জলপ্রপাত তো আছেই! এমন অবস্থায় মুঠো মুঠো অ্যালোপ্যাথি ঔষধি না খেয়ে মাঝারি মাপের একটা পিঁয়াজ কেটে নিন। তারপর সেই পিঁয়াজটার গন্ধ নিতে শুরু করুন। কয়েক মিনিটেই দেখবেন নাকের ব্লকেজ উধাও।

৫. ঠান্ডার মার থেকে বাঁচায়:
জ্বালানো গরম ছিল এই কয়েকদিন আগেও। হটাৎ করে দুদিন ধরে তুমুল বারিবর্ষণ। ফলে এক ধাক্কায় তাপমাত্রা নিম্নমুকি। এমন পরিস্থিতিতে জ্বর হওয়া তো অতি স্বাভাবিক ঘটনা। বিশেষত বাচ্চাদের এবং বয়স্কদের। আপনার বাড়িতেও যদি একই অবস্থা হয়ে থাকে, তাহলে কাজে লাগাতে পারেন পিঁয়াজকে। কীভাবে? খুব সহজ! একটা মাঝারি মাপের পিঁয়াজ দু টুকরো করে মাথার কাছে রেখে দিন। তাহলেই চলবে। আর কিছু করতে হবে। দেখবেন কয়েক দিনেই একেবারে চাঙ্গা হয়ে উঠেছেন।

৬. থার্মোমিটারকে দূরে রাখে:
মানে! বুঝলেন না কী বলছি। আরে মশাই থার্মোমিটারের প্রয়োজন কখন পরে? জ্বর হলে। একেবারেই! তাই তো বলছি, পিঁয়াজকে যত কাছে রাখবেন, তত থার্মোমিটার দূরে থাকবে। এক্ষেত্রে একটা পিঁয়াদকে দুটুকরো করে দুটো মোজার মধ্যে নিয়ে নিন। তারপর মোজা দুটি পায়ে পরে ঘুমিয়ে পরুন। সকালে উঠে দেখবেন জ্বর পালিয়েছে।

৭. গলার ব্যথায় আরাম দেয়:
অল্প করে পেঁয়াজ নিয়ে গরম জলে ফুটিয়ে সেই জলটা ঝটপট পান করে ফেলুন। এমনটা কয়েকবার করলেই দেখবেন গলার ব্যথা কমে গেছে। আসলে পেঁয়াজে উপস্থিত অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান শরীরের অন্দরে তৈরি হওয়া যে কোনও ধরনের প্রদাহ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৮. নখের উপরের চামড়া তুলে দেয়:
অনেকেরই নখের ঠিক উপরে আঙুলের অংশে উল্টো দিকে চামড়া ওঠে। এমনটা হলে খুব কষ্ট হয়। এক্ষেত্রে কম করে এক ঘন্টা যেখানে চামড়া উঠছে সেখানে পেঁয়াজ চেপে রাখুন। সময় হয়ে গেলে দেখবেন পেঁয়াজের সঙ্গে সঙ্গে চামড়াও উঠে এসেছে।

৯. ত্বকের সৈন্দর্য বাড়ায়:
পরিমাণ মতো পেঁয়াজের রসে অল্প করে হলুদ মিশিয়ে সেই মিশ্রনটা নিয়মিত মুখে লাগাতে শুরু করুন। দেখবেন অল্প দিনেই সব দাগ মুছে যাবে। সেই সঙ্গে স্কিনের জেল্লাও বাড়বে।

১০. পিরিয়ডের কষ্ট কমায়:
মাসের এই বিশেষ সময়ে যত পারবেন কাঁচা পিঁয়াজ খাবেন। দেখবেন আর কোনও কষ্টই হবে না। আসলে পেঁয়াজ হল প্রকৃতিক পেনকিলার, যা অল্প সময়ে ব্যথা কমাতে দারুন কাজে আসে। তাই তো এই সময় এত উপকারে লাগে।

Check Also

ইসলামের দৃষ্টিতে “ভ্যালেন্টাইন’স ডে” বা “ভালবাসা দিবস” !

ইসলামের দৃষ্টিতে “ভ্যালেন্টাইন’স ডে” বা “ভালবাসা দিবস” ; সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, এবং আল্লাহর পক্ষ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *