Home / বিনোদন / ‘আমি জয়ের বাবা, আমি জয়ের মা’ জানুন বিস্তারিত-

‘আমি জয়ের বাবা, আমি জয়ের মা’ জানুন বিস্তারিত-

‘শাকিব আমাকে বলেছিল জয় যদি পৃথিবীতে আসে, তাহলে আমাকে ডিভোর্স দিয়ে দিবে। কিন্তু আমি শাকিবের সে কথা শুনিনি, যার কারণে আজ তা-ই ঘটতে যাচ্ছে ’ কথা গুলো বলছিলেন বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম জনপ্রিয় নায়িকা অপু বিশ্বাস।

পারিবারিক নানা ঝামেলা শেষে ফের নতুন উদ্যমে চলচ্চিত্রে ফিরছেন অপু। তার এই চলচ্চিত্রে ফেরা আর ব্যক্তিগত জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিডি২৪লাইভ’র সাথে কথা হলো এই নায়িকার।

আলাপচারিতার শুরুতেই নতুন চলচ্চিত্র নিয়ে অপু বিশ্বাস বলেন, ‘কাজই জীবন। ডাক্তার কিংবা ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা করিনি বা এখন সম্ভব না ব্যাংকে চাকরি করা। অভিনয় আমার ভালোবাসা। আর তাই অভিনয় দিয়েই আবারো সামনে এগিয়ে যেতে চাই। মোট কথা কাজের বিকল্প নাই।’

নতুন চলচ্চিত্র ‘শ্বশুর বাড়ি জিন্দাবাদ’ নিয়ে অপু বলেন, ‘ছবিটির গল্প বেশ পছন্দ হয়েছে তাই চুক্তিবদ্ধ হয়েছি। পাশাপাশি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানও আমার পছন্দের। শুধু ছবি করলেই হবে না মানের বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে। বর্তমানে বাংলাদেশে যে সব ভালো প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান আছে তাদের মাঝে আমার পছন্দের একটি আরটিভি। তাই সব দিক বিবেচনা করেই ছবিটিতে কাজ করতে যাচ্ছি।

কথার প্রসঙ্গে একমাত্র সন্তান আব্রামকে নিয়ে কথা শুরু হলে হাসতে হাসতে অপু বলেন, ‘আব্রামের বয়স এখন ১৭ মাস। একটু-আধটু হাঁটতে শিখে গেছে। তাই আগের মতো কোথাও শুয়ে কিংবা বসে সময় কাটাতে ভালো লাগে না তার। হাঁটাহাঁটি কিংবা দৌড়াতেই পছন্দ করে সে। শুধু তাই পছন্দ কিংবা অপছন্দের খেলাও ঠিক করে ফেলেছে আব্রাম।’

আমি এখন আব্রাম’র বাবা, আমি এখন ওর মা উল্লেখ করে অপু বলেন, ‘আব্রামকে পৃথিবীতে আনাতে আমার অনেক যুদ্ধ করতে হয়েছে। আব্রাম যখন আমার পেটে তখন আমাকে শাকিব অনেক বিধি নিষেধ দিয়ে ছিলো। বলে ছিলো আব্রাম পৃথিবীতে আসালে সেই দিনই আমাদের সম্পর্কের ইতি হবে। তাই হচ্ছে। কিন্তু আমি তো মা, আমি শাকিবের কথা মানতে পারিনি। তিন মাস ধরে বাবার মুখ দেখেনি আব্রাম। অনেক চড়াই উৎরাই এরপর আব্রাম আজ পৃথিবীর আলোর মুখ দেখেছে। আর তাই জয়ই এখন আমার সব। ওর জন্যেই এখান আবার আমার নতুন করে লড়াই করতে হবে।

Check Also

কার অপেক্ষায় মরুর বুকে বুবলী?

কিছুদিন আগে মরুর বুকে স্বামীর সঙ্গে মাহিয়া মাহির বেশ কিছু ছবি সকলের নজরে আসে। সেখানে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *