Home / স্বাস্থ্য / নাক ডাকার সমস্যা চিরতরে দূর করবে ২টি জাদুকরী পানীয় ! জানতে চান কীভাবে?

নাক ডাকার সমস্যা চিরতরে দূর করবে ২টি জাদুকরী পানীয় ! জানতে চান কীভাবে?

নাক ডাকার সমস্যা আপাত দৃষ্টিতে খুব বেশি ক্ষতিকর মনে না হলেও এটি আসলে বেশ খারাপ একটি সমস্যা। এটিকে হৃদরোগের লক্ষণ হিসেবে ধরা হয়ে থাকে। এছাড়া এই নাক ডাকার সমস্যা যে বেশ বিরক্তিকর ও বিব্রতকর, তা নতুন করে বলে দিতে হয় না। যিনি নাক ডাকেন তিনি না বুঝলেও পাশে থাকা মানুষটির ঘুম হারাম হয়ে যায়। তাই নাক ডাকা সমস্যাকে অবহেলা নয় মোটেই। সমস্যাটি কীভাবে দূর করা যায় সে বিষয়ে ভাবতে হবে। ঘরোয়া ভাবে খুব সহজে এবং বেশ সুস্বাদু উপায়ে এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব।

জানতে চান কীভাবে?

চলুন তবে দেখে নেয়া যাক।

গাজর-আপেলের জুস :-

শুনতে সাধারণ মনে হলেও এই জুসের রয়েছে শ্বাসনালী কিছুটা চওড়া ও শ্বাসনালীর মিউকাস দ্রুত নিঃসরণের ক্ষমতা যা নাক ডাকা থেকে মুক্তি দিতে বেশ কার্যকর।
– ২ টি আপেল ছোটো ছোটো খণ্ডে কেটে নিন এবং ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করুন।
– এবার ২ টি গাজর কেটে ব্লেন্ডারে দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন।
– এরপর একটি লেবুর ১/৪ অংশ কেটে রস চিপে এতে দিয়ে দিন এবং ১ চা চামচ আদা কুচি দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন।
– কিছুটা পানি দিয়ে বেশ ভালো করে ব্লেন্ড করে নিয়ে ছেঁকে নিন। – এই পানীয়টি প্রতিদিন পান করুন। নাক ডাকার সমস্যা দূরে পালাবে।

হলুদের চা :-

 

হলুদ প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক। এটিও বেশ কার্যকর নাক ডাকা সমস্যার সমাধানে।
– ২ কাপ পরিমাণ পানি চুলায় বসিয়ে জ্বাল দিতে থাকুন।
– এতে ১ চা চামচ পরিমাণ কাঁচা হলুদ বাটা দিয়ে দিন (গুঁড়ো হলেও চলবে)। এবার আবার জ্বাল করতে থাকুন।
– যখন পানি ফুটে ১ কাপ পরিমাণে চলে আসবে তখন তা নামিয়ে ছেঁকে ফেলুন।
– এবার ১/২ চা চামচ মধু ও ২/৩ ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে পান করুন।
– প্রতিদিন ঘুমুতে যাওয়ার ৩০ মিনিট আগে পান করে নেবেন। দেখবেন নাক ডাকার সমস্যা দূর হয়ে যাবে।

আরও পড়ুনঃ  ঘুমানোর ভঙ্গীতেই বুঝে নিন সম্পর্কের অবস্থা !!

বাইরে থেকে দেখে সবসময় দুজন মানুষের মধ্যকার সম্পর্ক পরিমাপ করা যায় না। অনেক ভঙ্গুর সম্পর্ককেও খুব মধুর মনে হয়।

সাধারণত সম্পর্কের তিক্ততা আমরা আড়াল করি। কিন্তু সম্পর্কের জটিলতা প্রকাশ পেয়ে যায় ঘুমের মধ্যে।

কেননা অবচেতন মন আমাদের স্লিপিং পজিসন বা ঘুমানোর ভঙ্গি নিয়ন্ত্রণ করে। জেনে নিন আপনার সঙ্গী আপনাকে কতটা ভালোবাসে।

কর্কটাবস্থান: দুজনে একে অপরের সঙ্গে এমন এক অবস্থানে আছেন, যেখানে একেবারে জড়িয়ে ধরেও নেই আবার ছেড়েও নেই, বুঝতে হবে এই সম্পর্কে আরেকটু বোঝাপড়া দরকার। দরকার অনেকটা অন্তরঙ্গতা।

নির্ভরতার অবস্থান: যদি দেখা যায় পুরুষ সঙ্গীর কাঁধে মাথা রেখে ঘুমাচ্ছেন নারী। তাহলে বুঝে নিতে হবে সঙ্গীর উপর অগাধ ভরসা তার এবং নির্ভরও করেন।

বালিশ আলাপ: শরীর স্পর্শ না করে বালিশে মাথা রেখে মুখোমুখি শুয়ে ঘুমান যারা তাদের সম্পর্কে দরকার নিজস্ব কথোপকথন।

বুকে মাথা: পুরুষটির বুকে মাথা রেখে ঘুমাচ্ছেন নারী। বুঝতে হবে এ সম্পর্ক একেবারেই নতুন। প্রেম সবে গড়ে উঠতে শুরু করেছে।

Check Also

যেভাবে কাজ করে গর্ভধারণ পরীক্ষায় ব্যবহৃত স্ট্রিপ

একজন নারী গর্ভবতী হয়েছেন কিনা তা আজকাল ঘরে বসেই পরীক্ষা করে নেয়া যায়। প্রেগন্যান্সি পরীক্ষার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *