Breaking News
Home / Uncategorized / প্রবাসী শ্রমিকবান্ধব হচ্ছে সৌদি আরব !!

প্রবাসী শ্রমিকবান্ধব হচ্ছে সৌদি আরব !!

সৌদিতে প্রবাসী শ্রমিকদের নতুন করে কোনো ট্যাক্স দিতে হবে না বলে নিশ্চিত করেছে শ্রম ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয় (এমএলএসডি)। প্রবাসী শ্রমিকদের মাসিক বেতন ৩ হাজার সৌদি রিয়ালের বেশি হলেই তাদের ১০ শতাংশ ট্যাক্স দিতে হবে বলে যে খবর ছড়িয়েছে তা সত্য নয় বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

কিছুদিন আগে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, ২০১৮ সাল থেকে মূল্য সংযোজন কর ধার্য করা হবে। ফেডারেল ট্যাক্স অথরিটির নতুন কর পদ্ধতির আওতায় আরো পণ্য ও সেবার উপর ভ্যাট ও ট্যাক্স জারি হচ্ছে। যেসব ব্যবসায় তিন লাখ পঁচাত্তর হাজার দিরহাম বা তার বেশি আয় হবে সে সব প্রতিষ্ঠানকে ভ্যাট এর আওতায় আনা হচ্ছে। তবে প্রবাসী শ্রমিকরা এই ট্যাক্সের আওতায় থাকছেন না।

বিদেশি শ্রমিকদের ওপর নতুন ট্যাক্স আরোপ করবে না সৌদি আরব। প্রবাসীদের নিয়োগ ও ওয়ার্ক পারমিটের ক্ষেত্রে ৬০টি চাকরির ক্ষেত্র বাতিল করাও হবে না। মাত্র ১৯টি চাকরির ক্ষেত্র সীমিত করা হচ্ছে।

সৌদি কোম্পানি আরামকো নিয়ে বিশ্বজুড়ে গভীর আগ্রহ

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ঠিক দুই বছর আগে যখন ঘোষণাটি দিয়ে ছিলেন, তা শুনে প্রথম স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিলেন লন্ডন, নিউ ইয়র্ক থেকে শুরু করে বিশ্বের বড় বড় শেয়ার মার্কেটের নেতৃস্থানীয় কর্মকর্তারা। প্রথমে তারা বিশ্বাসই করতে চাননি যে এটা আসলেই ঘটতে যাচ্ছে। কিন্তু যুবরাজ সালমান পরবর্তী মাসগুলোতে পরিষ্কার করে দিলেন যে তিনি আসলেই এটা করতে যাচ্ছেন। এখন সেই লক্ষ্যে আরেকটি বড় পদক্ষেপ নিলো সৌদি আরব। বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল কোম্পানি, সৌদি আরামকোকে একটি যৌথ স্টক কোম্পানিতে রূপান্তরিত করা হলো।

এর উদ্দেশ্য এ বছরের দ্বিতীয়ার্ধে যেন সৌদি আরামকোর পাঁচ শতাংশ শেয়ার বাজারে বিক্রির জন্য ছাড়া যায়। সব কিছু যদি পরিকল্পনামাফিক এগোয় তাহলে এটি হবে বিশ্বের শেয়ার বাজারের ইতিহাসে এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় আইপিও বা ইনিশিয়াল পাবলিক অফারিং। স্টক মার্কেটে আরামকোর মাত্র পাঁচ শতাংশ শেয়ার ছেড়েই সৌদি সরকার ১০ হাজার কোটি ডলার পর্যন্ত (১০০ বিলিয়ন ডলার) তহবিল সংগ্রহ করতে পারবে বলে মনে করা হচ্ছে।

সৌদি আরামকো যে শুধু বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল কোম্পানি তা-ই নয়, এটির পর যে কোম্পানিটি দ্বিতীয় স্থানে আছে, তার চেয়েও এটি বহুগুণ বড়। যেমন তেলের রিজার্ভের কথা ধরা যাক। সৌদি আরামকোর তেলের রিজার্ভ হচ্ছে এই মুহূর্তে ২৬১ বিলিয়ন ব্যারেল। আর দ্বিতীয় স্থানে থাকা মার্কিন কোম্পানি এক্সনের তেলের রিজার্ভ হচ্ছে ১৩ বিলিয়ন ব্যারেল।

বাজারমূল্যের হিসাবেও সৌদি আরামকোর ধারেকাছে নেই কেউ। এখন এই কোম্পানির বাজার মূল্য দুই ট্রিলিয়ন হতে তিন ট্রিলিয়ন ডলার। (এক ট্রিলিয়ন মানে এক লাখ কোটি)। দ্বিতীয় স্থানে থাকা অ্যাপলের বাজারমূল্য হচ্ছে ৮৭৬ বিলিয়ন ডলার। আর গুগলের পেরেন্ট কোম্পানি অ্যালফ্যাবেটের বাজারমূল্য ৭৫৫ বিলিয়ন ডলার।

যেভাবে যাত্রা শুরু

১৯৩৩ সালের ২৩ সেপ্টেম্বরে একদল আমেরিকান জিওলজিস্ট এসে নেমেছিল সৌদি আরবের পারস্য উপসাগর তীরের বন্দর জুবেইলে। সেখান থেকে মরুভূমির ভেতর দিয়ে শুরু হলো তাদের যাত্রা। সে বছরের জুলাই মাসেই ঘাওয়ার তেলক্ষেত্র আবিষ্কারের পর সৌদি বাদশাহ আবদুল আজিজ মার্কিন কোম্পানি স্ট্যান্ডার্ড অয়েলকে সৌদি আরবে তেল অনুসন্ধানের অনুমতি দিয়েছেন। তার সূত্র ধরেই এই বিজ্ঞানীদের সৌদি আরবে আসা।

Check Also

সবচেয়ে কম দামের সেরা ১০টি ওয়াটার প্রুফ স্মার্টফোন যা পাবেন ২০১৮ সালে

বৃষ্টির সময় প্রায় চলেই এসেছে। আর আমরা যারা স্মার্টফোন ব্যবহার করি তাদের এই সময়টা একটু …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *