Home / স্বাস্থ্য / ডিমের খোসা না ফেলে সেগুলিকে ব্যবহার করতে শিখুন, জেনে নিন তার ১০ টি আশ্চর্যজনক গুনাগুন…

ডিমের খোসা না ফেলে সেগুলিকে ব্যবহার করতে শিখুন, জেনে নিন তার ১০ টি আশ্চর্যজনক গুনাগুন…

ডিমের খোসা না ফেলে- ডিম হল প্রোটিনের উৎস। অনেক লোক সকালের ব্রেকফাস্ট ও দিনের নানান সময়ে ডিমের নানান পদ খেয়ে থাকেন।

যেমন ডিম সিদ্ধ, অমলেট, এগরোল আরও অনেক কিছু। কিন্তু খাবার পরে ডিমের খোসাটির কি হয় ? আর সবার মতো ফেলে দেন তাই তো ? চ্যালেঞ্জ করলাম। এই লেখাগুলি পড়ার পর ডিমের খোসা ফেলার সময় আপনার হাত কাঁপবে…

১ – ক্যালসিয়ামের উৎস –

ডিমের খোসা প্রাকিতিক ক্যালশিয়ামের একটি প্রধান উৎস যা সরাসরি দেহে শোষিত হয়।

২ – শক্ত হাড় –

ডিমের খোসায় যে ক্যালসিয়াম থাকে ঠিক সেই ক্যালসিয়াম আমাদের দেহের হাড়ে ও দাঁতে দেখতে পাওয়া যায়, তাই এটি আমাদের হাড়কে শক্ত করতে সাহায্য করে। এছাড়াও আমাদের পেশী ও স্নায়ুর জন্যও এটি প্রয়োজন।

৩ – ব্লাড প্রেসার কমায় –

ডিমের খোসা রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে ও কোলেস্টেরল লেভেল বজায় রাখে।

৪ – প্রাত্যহিক ক্যালশিয়াম এর ঘাটতি পূরণ –

অর্ধেক চামচ ডিমের খোসা রোজ খেলে ৯০% পর্যন্ত ক্যালশিয়াম সরবরাহ হয় আমাদের দেহে।

৫ – উজ্জল ত্বক –

ডিমের খোসা দিয়ে ফেস প্যাক বানিয়ে মুখে লাগালে তা ত্বকের উজ্জলতা ফুটিয়ে তোলে।

৬ – গাছের উর্বরতা বৃদ্ধি –

যেহেতু ডিম ক্যালসিয়াম এর উৎস তাই এটী মানব শরীরের সাথে সাথে উদ্ভিদেরও সুস্থ বিকাশে সাহায্য করে।

৭ – বাড়ি পরিস্কার –

সাবান জলের সাথে ডিমের খোসা মিশিয়ে তা দিয়ে সহজেই নোংরা পাত্র, ফুলের পট পরিস্কার করা যায়।

৮ – উৎকর্ষ পশুখাদ্য –

ডিমের খোসা গুড়ো করে পাওডারে পরিনত করে আপনার পোশ মানা কুকুর কে খেতে দিন। এতে তার ক্যালশিয়াম এর জোগান হবে।

৯ – কফির স্বাদ পরিবর্তন –

যদি আপনি কিছু ডিমের খোসা কফি ফোটার আগে তাতে মিশিয়ে দেন তাহলে কফি সামান্য কম তিক্ত হবে।

১০ – চারাগাছ রোপণ –

ডিমের খোসার মধ্যে চারাগাছের বৃদ্ধি অন্য যে কোন পরিবেশের থেকে অনেক বেশি স্বাস্থ্যসন্মত।

Check Also

রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমায় সেদ্ধ ডিম

ডিম আমরা অনেক রকম ভাবেই খেয়ে থাকি ৷ কখনও ডিমের ওমলেট, ডিমের পোচ । তবে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *